একজন মুসলিমের পরিচয় প্রথম যে আচরণের মাধ্যমে সূচনা হয় তা হচ্ছে, – সালাম। আর এখান থেকেই প্রথম পার্থক্য শুরু হয় একজন প্রচলিত মুসলিম এবং কোরআনিস্টদের মাঝে। যারা আহলে কোরআন বা কোরআনিস্ট, তাদের সালাম হচ্ছে, “সালামুন আলাইকুম”।
অপরদিকে যারা প্রচলিত মুসলিম বা হাদিস অনুসারী, তাদের সালাম হচ্ছে, – “আসসালামু আলাইকুম”।
কিন্তু কোরআনিস্টদের প্রতি অভিযোগ হচ্ছে তারা হাদিস অস্বীকার করতে গিয়ে, কোরআন থেকে সরাসরি যে সালাম বিনিময়ের বাক্যটি গ্রহন করেছেন সেটা অনির্দিষ্ট। এটা বুঝার জন্য আমাদের নাকেরা এবং মারিফা সম্পর্কে জানতে হবে।
নাকেরা = সাধারণ, অচেনা
মারিফা = নির্দিষ্ট, চেনা বা পরিচিত
🚩 এই অংশটি আরবি ব্যাকরন সহ বিস্তারিত অন্য একটি পর্বে আলোচনা করা হবে ইনশাল্লাহ। কারন আমি এই পর্বে এটা দেখাবো কোরআনিস্টদের যুক্তি কিভাবে তাদের উপরেই বর্তায়।
হাদিস অনুসারীদের সালাম, – “আসসালামু আলাইকুম” হওয়ার কারন ২টি।
১/ এটি রাসুলের শিক্ষা এবং সুন্নাহ বলে প্রতিষ্ঠিত।
২/ প্রকৃত অর্থ বহন করে, অর্থাৎ সালাম বা শান্তি কার কাছ থেকে আসে এবং কার কাছে যায় তা স্পষ্ট। অর্থাৎ সালাম বা শান্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে এবং ঐ নির্দিষ্ট ব্যাক্তির কাছে যায় যাকে বলা হয়েছে।
এখান থেকে সবচেয়ে বড় যে ২টি প্রশ্ন উত্থান হয়,
১/ কোরআন দিয়ে কি কোরআন বুঝা সম্ভব?
২/ কোরআন কি নিজেই কোরআনকে বিচার করে?
যদিও প্রশ্ন ২টি একই অর্থ বহন করে তবে সেটা সম্মতির-অসম্মতির ভিত্তিতে।
যেমন, কোরআন যে কোরআন এটা যদি কোরআন দিয়ে বিচার হয় তাহলে হাদিসও তো হাদিস দিয়ে বিচার করলে পাশ। কিন্তু আমরা জানি কোন কিছু বিচার করতে হলে ঐ একই জিনিস দিয়ে বিচার করা যায়না। যেমন সোনাকে সোনা দিয়ে যাচাই করা যায়না। সোনাকে যাচাই করতে হয় কষ্টি পাথর দিয়ে। একজন মানুষ যদি দাবি করে তার নাম ওমক, তার এই মুখের কথাই কিন্ত তার নামের দলিল হয়ে যায় না। তার নাম আসল কি? সেটা প্রমান করে তার জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি।
কেও বলছেনা যে হাদিস দিয়ে কোরআন বুঝতে হবে। বরং এখানে মূল পয়েন্টটা হচ্ছে,
যদি কেও কোরআন দিয়ে কোরআন যাচাই করে শুধু কোরআন গ্রহন করে তাহলে ত হাদিস দিয়েও হাদিস যাচাই করে হাদিস মানা যায়। পার্থক্য কি থাকলো কোরআনিস্ট এবং হাদিস গ্রহনকারীদের মধ্যে? সুতরাং এই যুক্তি এখানে দুই পক্ষেরটাই ভংগুর।
পার্থক্য হতে হবে কোরআন বুঝার ক্ষেত্রে। ছুরির ধার ছুরি দিয়ে যাচাই করা যায় না, ধার বোঝা যায় কোন কিছুকে কেটে দেখলে। কোরআন দিয়ে কোরআন বুঝার মান যদি হাদিস দিয়ে বুঝার চেয়ে ভালো না হয় তাহলে সেই ছুরির ধার নেই।
কোরআনিস্টরা কোরআন বুঝে নিজে নিজে। কিন্তু হাদিস যারা মানে তারা কোরআন বুঝে কোরআন এবং হাদিস সমন্বয়ে। যদি কোরআনিস্টরা এই দাবি করে যে কোরআন দিয়ে কোরআন বুঝা যায় তাহলে সূরা আল মায়েদা(৫) এর ৩৮ আয়াত,
“আর চোর ও চোরনী তাদের হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের ফল স্বরূপ, আল্লাহর পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। আল্লাহ হলেন মহাপরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী।”
👉 এখানে চুরির কোন পরিস্থিতিতে কোন হাত কাটবে তার বাস্তবিক প্রয়োগ কি কোরআনে বলা আছে? যেমন আপনার বাচ্চা যদি আপনার ব্যাগ থেকে চকলেট চুরি করে তার হাত কি আপনি কেটে দিবেন? দিলে কোন হাত কাটবেন?
এবং সূরা আত-তাওবা (সূরা ৯), আয়াত ৩৬,
“আসমান-যমীন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর কিতাবে (লৌহ মাহফুজে) মাসগুলোর সংখ্যা হল বার। তার মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস।”
👉 এখানে নিষিদ্ধ ৪টি মাসের নাম কোরআন থেকে বের করা যাবে?
এসব ব্যাপারে প্রশ্ন গুলো উঠে আসবে। তখন কোরআনিস্টরা উত্তর দিতে পারবেনা বা উত্তর দিলে ভিন্ন সোর্স টেনে আনবে।
তাহলে প্রমান হয় যে কোরআন দিয়ে কোরআন বুঝা যায়না। আর বুঝতে হলে কোরআনের বাইরের সোর্স গ্রহন করতে হচ্ছে। তাহলে সেই সোর্স হাদিস নয় কেন?
এখানে আবার হাদিস অনুসারিদের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি উঠে আসে,
👉 তাহলে কি কোরআন অসম্পূর্ন? দেখুন হাদিস প্রেমিরা হাদিস বাঁচাতে কোরআন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দ্বিধা করেনা 😭
হাদিস অনুসারিদের জবাবঃ
কোরআন নিজেই বলছেঃ
— “আমি এই কিতাবে কিছুই বাদ দেইনি।” (সূরা আনআম ৬:৩৮)
এর মানে এই না যে, কোরআনে প্রতিটা বিষয় খুঁটিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বা বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেমন কোরআন বুঝতে আরবি জ্ঞান থাক লাগে। তাহলে কি আরবি ভাষা শিক্ষা সম্পর্কে কিছু বলা আছে কোরআনে। না নেই। বরং এই আয়াতে এটা বোঝায় যে, মানুষের হিদায়াত বা পথনির্দেশনার জন্য যা যা দরকার, সবই মূলনীতি আকারে কোরআনে দেওয়া হয়েছে।
📘 উদাহরণ: মেডিকেল বই
ধরো, একটা মেডিকেল বই লিখা হয়েছে যার নাম “Complete Guide to Surgery”। এর মানে হচ্ছে, বইটিতে অপারেশনের সকল ধাপ লেখা আছে। টুলসের নাম, রোগের ধরন অনুযায়ী প্রস্তুতি, সতর্কতা ইত্যাদি — সব আছে। কিন্তু আমরা কি পারবো শুধু এই বইটা পড়ে একা একা অপারেশন করতে?
না পারবো না! আমাদের লাগবে একজন শিক্ষক সার্জন, যিনি শেখাবেন। যিনি প্র্যাকটিসে ভুল করলে শুধরে দেবেন।
তাহলে বইটিতে যে লিখা আছে “Complete Guide to Surgery”?
বইটি কি অসম্পূর্ন হয়ে গেলো?
অবশ্যই না!
তাহলে বুঝা গেলো এই দাবিটি আসলে হাদিস অনুসারীরা করেনাই। বরং এটা একটা “স্ট্রো ম্যান ফ্যালাসি” যা তাদের যুক্তিকে বিকৃত করে তাদের উপরেই সেই যুক্তিটি ভুলভাবে আরোপ করা হয়েছে যে দাবিটা আসলে তারা করেনাই।
উপরন্তু, কোরআনিস্টরা যদি এই কথা বলে,
১৪০০ বছর ধরে মোল্লারা কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা করে এসেছে এবং জনগনকে ভুল শিক্ষা দিয়ে আসছে তাহলে খোদ কোরআনের উপরেই তারা এই অভিযোগ আরোপ করছে যে, এই কোরআন সন্দেহপূর্ন- নাউযুবিল্লাহ। এই কোরআন ১৪০০ বছর ধরে যেহেতু ভুল ব্যাখ্যা করে যাচ্ছে এবং এখনো কোরআনিস্টরা যে এর পূর্ন অনুবাদ বের করতে পারছেনা, তাহলে সামনে আরো কত শত বছর ধরে যে বিভ্রান্ত ছড়াবে তার কোন ইয়ত্তা নাই। তারা সরা সরি সূরা আল-বাকারা (২:২) এর উপর প্রশ্ন তুলছে যেখানে বলা হয়েছে,
“এই সেই কিতাব, এতে কোনো সন্দেহ নেই — এটি মুত্তাকিদের(পরহেজগারদের) জন্য হিদায়াত।”
সেটা জেনে বুঝে হোক আর অজ্ঞতাবশত হোক। এছাড়াও আরো অনেক আয়াত যেমন,
“সত্য এসেছে, আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হবারই জন্য।”
— (সূরা আল-ইসরা ১৭:৮১)
তাহলে ১৪০০ বছর পর্যন্ত কি মিথ্যার উপর চলছে এই ইসলাম?
এই পর্যায়ে এসে কোরআনিস্টদের পক্ষে যে দাবিটা চলে আসে। তারা বলে, “আমরা যে কোন সোর্স বা ইতিহাস জ্ঞানের জন্য গ্রহন করতে পারি। আর কোরআনকে শুধু বিধান হিসেবে মানি”। তাহলে ঐযে হাত কাটার বিধান(সূরা আল মায়েদা ৫ঃ৩৮) এবং নিষিদ্ধ ৪ মাস(সূরা আত-তাওবা ৯ঃ৩৬) এগুলা সবই বিধান সম্পর্কিত আয়াত। এখানে পাশ কাটার সুযোগ নাই।
📝 যদিও কোরআনিস্টদের মধ্যেই কিছু দল পুরো কোরআনকেই মুতাশাবিহা(রূপক/উপমামূলক অর্থে) বলে। এরাই মূলত ‘সুফিবাদ’ বা ‘চলমান রাসুলে’ বিশ্বাসী। এটা নিয়ে অন্য কোন পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করতেও পারি নাও করতে পারি। কারন পুরো কোরআনকে রুপক অর্থে নিলে এখানে আর কোন যুক্তি বা কোন কথাই অবশিষ্ট থাকেনা। আপনি কোরআন থেকে আয়াত পাঠ করবেন ঠিকই এবং সেটা অনুবাদও করবেন আরবি লেখা থেকে কিন্তু এর ব্যাখ্যা হবে ভিন্ন।
আর যদি বলে এসব সম্পর্কে যেহেতু কোরআনে নাই সেহেতু জানার আমাদের প্রয়োজন নাই। তাহলে কোরআনিস্টরা পরোক্ষভাবে আরেকটা দাবি করছে যে কোরআনের কিছু আয়াত অনর্থক। এমনকি সেটা বিধান সম্পৃক্ত আয়াত হলেও। অথচ এরাই আবার অন্যান্য পরিস্থিতিতে দাবি করে যে কোরআন স্পষ্ট এবং ব্যাখ্যাকৃত- ক্রিস্টাল কিলিয়ার 🙂।
এই মর্মে একজন কোরআনিস্ট উত্তর দিলো, (এটাচ করা ইমেজ থেকে…)

“যে উত্তর কোরআন দিতে পারে না হাদিস ও তার উত্তর দিতে পারে না এটা আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি,
আপনাদের হাদিস আছে কোন হাত কাটবেন,
হাত পচে কাটবেন না এক কপে কাটবেন?
উত্তরটা থাকলে জানাবেন হাদিস দিয়ে
শেষে আপনি যাবেন এসমা কিয়াজের ভিত্তিতে
সেটা কোরআন অনুযায়ী ও করা যায় হাদিসের দরকার নেই”
🚩 দেখুন, সে নিশ্চিত ভাবে বলছে – যে উত্তর নাকি কোরআন দিতে পারেনা সেটা নাকি হাদিসও দিতে পারেনা। কোরআনিস্টরা যে হাদিস না পড়েই হাদিসের বিরোধীতা করে এটা হচ্ছে তার একটা প্রমান। তার এই দাবিটা নিয়েও বিস্তারিত লিখার ইচ্ছা আছে। এখানে বিশ্লেষন করছিনা কারন টপিক চেঞ্জ হয়ে যাবে।
তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় হাদিস অস্বীকারীরা ইজমা, কিয়াস মানে?
যদি বলে মানিনা তাহলে আবারো সকল যুক্তি এখানেই ভংগুর। অর্থাৎ এই প্রশ্ন উত্থান করার কোন মানেই হয় না। কারন ইজমা-কিয়াস যদি নাইবা মানে, তাহলে তাদের একমাত্র সোর্স কোরআন। আর সেই কোরআনের এমন অনেক বিধান সম্পর্কিত আয়াতের ব্যাখ্যা তারা নিজেরাই আনতে পারছেনা কোরআন থেকে। আলোচনা এখানেই সমাপ্ত🫷
আর যদি বলে হ্যাঁ ইজমা, কিয়াস মানি। তাহলে প্রশ্ন উত্থাপন হয়,
এই ইজমা-কিয়াসের ভিত্তি কি?
কারা করছে এই ইজমা-কিয়াস?
যদি বলে যার যার নিজস্ব বুঝ, নিজেদের আক্বল এই দলিলের ভিত্তিতে,
📖 সূরা আন-নিসা (৪:৮২)
“তারা কি কোরআন নিয়ে চিন্তা করে না? যদি এটা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে হতো, তবে তারা এতে অনেক দ্বন্দ্ব পেত।”
তাহলে আমরা এবার বাস্তবতা পর্যালোচনা করবোঃ
কোরআনিস্টরা কোরআনকে নিজে নিজে বুঝতে গিয়ে কয়েক হালি কুরআন বানিয়ে ফেলেছে। যে যার মত বুঝ নিয়ে নিয়েছে। তাদের মধ্যে এমন একটা কোরআন আজঅব্দি পরিপূর্ন অনুবাদ হলো ত নাই বরং যতটুকু হয়েছে সেখানেও তাদের নিজেদের মধ্যে মতানৈক্য।
আমি যে মুহুর্তে এই লেখাটা লিখছি(০৬.নভেম্বর.২০২৫) এই মূহুর্তে আমার জানা মতে প্রায় ১৫ জন কোরআনিস্ট দাবিদার অনলাইনে একটিভ। কেও শব্দে শব্দে, কেও অক্ষরে অক্ষরে, কেওবা সায়েন্টেফিক ওয়েতে, কেও সুফীদের থেকে, কেওবা শাব্দিক অর্থে, কেও গাণিতিক ভাবে কোরআন অনুবাদ করেছে এবং করছে। [এদের মধ্যে অনেকে ছবি এটাচ করা আছে] কেওবা বানিয়েছে দেহতত্ব কোরআন। এমনকি কেও কেও জাবারিয়্যাহ এবং কাদারিয়্যাহদের মত ক্বদর বা কর্ম অস্বীকার করেছে।
🚩সুফিবাদ, জাবারিয়্যাহ, কাদারিয়্যাহ আমার আক্বীদাহ সিরিজে কভার করা হয়েছে।
📝 দেখুন এটাও কিন্তু প্রমান করে যে এরা নতুনভাবে কোন কিছু প্রতিষ্ঠিত করতে যাচ্ছেনা। অর্থাৎ এদের যে দাবি – “১৪০০ বছর ধরে মোল্লারা ভুল বুঝিয়ে আসছে, এখন আমরা কোরআনের সঠিক বুঝ বের করবো..”, বিষয়টা মোটেও এমন না। বরং এরা এদের অহংকারের কারনে একটা জমহুর মতকে কতগুলা কু-যুক্তি দ্বারা প্রত্যাখ্যান করে অতীতের কিছু ভ্রান্ত মতবাদ যেগুলোকে সকল আলেমরা এক যোগে ভুল বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেগুলো থেকে বুঝ ধার করে আনছে তাও আবার বিচ্ছিন্নভাবে।
এরই মধ্যে অনেকে পূর্নাংগ অনুবাদের অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে,
একপ্রকার বাধ্য হয়েই মেনে নিচ্ছে “চলমান রাসুল” অথবা “সূফীদের তাফসির”। যেখানে রয়েছে “হিন্দুদের পূনর্জন্ম”, ” ৭ আত্মা(সূরা আল-হিজর ১৫:৮৭)-এর মত ভ্রান্ত মতাদর্শন কিংবা সরাসরি অস্বীকার করা হচ্ছে “জান্নাত, জাহান্নাম” এর মত শেষ বিচারের ফয়সালা।
আবার কেও কেও Naturalism(প্রকৃতিবাদ) বা Deistic Natural Theology-তে বিশ্বাসী।
📖 সূরা আন-নিসা (৪:৮২)-
“যদি এটা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে হতো, তবে তারা এতে অনেক দ্বন্দ্ব পেত”
কোরআনিস্টদের প্রতি প্রশ্ন,
তাদের কোরআন কি আল্লাহ প্রদত্ত নয়?
কেন ইজমা কিয়াসের ভিত্তি হাদিস হতে পারেনা?
Leave a Reply