জাদ খ. দিরহাম নামের এক লোক ছিলেন, দ্বিতীয় মারওয়ানের (শেষ উমাইয়া খলিফা) শিক্ষক। ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, জাদ খ. দিরহাম ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি প্রথমবার কুরআনের সৃষ্টি-সংক্রান্ত বিতর্ক উত্থাপন করেন এবং আল্লাহর কথা বলার ধারণাকে অস্বীকার করেন। এবং তিনিই মূলত জাহমিয়া মতবাদের ভিত্তি তৈরি করেন, যা পরবর্তীতে জাহম বিন সাফওয়ান দ্বারা প্রসারিত এবং সুসংগঠিত হয়।

জাদ ইবনে দিরহামের এই ২টা মতবাদ দিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই। যদিও জাহম বিন সাফওয়ানের মতবাদে এই একই ধরনের ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

কোরআনকে “সৃষ্ট” (Created) বা “মাখলুক” (মাখলুকাতের অন্তর্ভুক্ত)
এটা সে কেন দাবি করেছিলো সেটা আগে বুঝে নেই। জাদ ইবনে দিরহামের মতে কোরআন হলো আল্লাহর তৈরি কিছু, যা সময়ের একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে সৃষ্টি করা হয়েছে। কারন কোরআনকে যদি আল্লাহর চিরন্তন এবং অসৃষ্ট গুণ (সিফাতে কালাম) হিসেবে মানতে হয় তাহলে তো কোরআনও আল্লহর মতই একটা কিছু হয়ে গেলো। তাই আগে কোরআনকে মাখলুক বলার মাধ্যমে একে চিরন্তনতা থেকে আলাদা করতে হবে এবং কোরআনের অস্তিত্বকে একটি পৃথক সৃষ্টি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

কিন্তু এটা করার ফলে কোরআনের সু-স্পষ্ট আয়াত অস্বীকার করা হয়। যেমন,

সুরা আত-তওবা (9:6): “আর যদি মুশরিকদের কেউ আশ্রয় চায়, তবে তাকে আশ্রয় দাও, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে পায়।”
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে কুরআন আল্লাহর কালাম এবং এটি সৃষ্ট নয়।

সে অস্বীকার করছিলো আল্লাহ সুবহানাওয়াতালা কথা বলেন না।
সুরা আন-নিসা (4:164): “আর মূসার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন সরাসরি।”
এই আয়াত স্পষ্ট করে দেয় যে আল্লাহ তায়ালা হযরত মুসা (আ.)-এর সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। এটি জাদ ইবনে দিরহামের দাবির সরাসরি বিপরীত।

আরো অস্বীকার করেছিলো আল্লহর সাথে হযরত ইবরাহিম (আ.) এর বন্ধুত্ব।
সুরা আন-নিসা (4:125): “আর আল্লাহ ইবরাহিমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন।”
এই আয়াত প্রমাণ করে যে আল্লাহ তায়ালা হযরত ইবরাহিম (আ.)-কে তাঁর বন্ধু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

এবার আসি তার উত্তরসূরি জাহম বিন সাফওয়ানকে নিয়েঃ
জাহম বিন সাফওয়ান ছিলেন উমাইয়া যুগের একজন ইসলামী ধর্মতাত্ত্বিক এবং যার নাম জাহমিয়া উপাধির জন্ম দিয়েছে।

বসরা (বর্তমান ইরাকের একটি শহর) ইতিহাসে “ফারযুল হিন্দ” নামে পরিচিত ছিল। এটিকে ভারতবর্ষ ও পারস্যের দিকে যাওয়ার অন্যতম প্রবেশপথ হিসেবে দেখা হত। বসরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী ছিল যেখানে ভারত ও পারস্য থেকে আগত ব্যবসায়ী, ভিক্ষু, এবং প্রচারকরা আসত। এই ভিক্ষুরা তাদের নিজস্ব দর্শন ও ধর্মীয় মতবাদ প্রচার করত। সাধারণ মানুষ তাদের চমকপ্রদ কর্মকাণ্ড দেখে মুগ্ধ হত এবং অনেক সময় তাদের চিন্তাধারা গ্রহণ করত।

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের মতে, জাহাম ইবনে সাফওয়ান প্রথম যে ব্যক্তির সাথে ধর্মীয় বিতর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন, তিনি ছিলেন একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু। এই বিতর্ক থেকেই জাহমের চিন্তাধারা আরও বিকশিত হয়েছিল। বৌদ্ধ দর্শনের কিছু প্রভাবও তার মতবাদের মধ্যে পাওয়া যায়, যেমন আত্মার প্রকৃতি এবং আল্লাহর গুণাবলী নিয়ে বিশেষ ধরনের দর্শন।

বৌদ্ধ ভিক্ষু প্রশ্ন তুলেছিলেন:
– “তুমি আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করছো, কিন্তু তুমি কি তাঁকে দেখেছ?”
– জাহামের উত্তর ছিল, “না।”
– ভিক্ষু তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, “যাকে তুমি দেখনি, তার অস্তিত্বে তুমি কিভাবে বিশ্বাস করতে পারো?”

এই যুক্তি জাহামের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি এই প্রশ্নের কোনো পরিপূর্ণ উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলেন না এবং এর ফলে তার চিন্তাভাবনা আরও অস্থির হয়ে ওঠে।

বিতর্কের পর জাহাম ইবনে সাফওয়ান মানসিক ও আধ্যাত্মিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন যে, তিনি তার ইবাদত ৪০ দিন বন্ধ রাখেন। এই সময়ে তিনি উত্তরের জন্য গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হন। তবে, এই ধরনের আচরণ ইসলামের মূলধারার বিরুদ্ধে এবং এটি তার ধর্মীয় সংকটের একটি প্রমাণ।

ইসলামে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে সাধারণত কোরআনের আয়াত ও হাদিসের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়। যেমন:

“তারা তাদের দৃষ্টিতে আল্লাহকে অবলোকন করতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহ তাদের দৃষ্টি পরিবেষ্টন করেন।”
(সুরা আনআম: ১০৩)

“যারা অদৃশ্য (আল-গায়েব) বিশ্বাস করে।”
(সুরা বাকারা: ৩)

আল্লাহর অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে “গায়েব” বিশ্বাস ইসলামের একটি মৌলিক বিষয়।

এই ব্যাপারে আলেমগন রাসুলুল্লাহ (সা.) এর একটি বিখ্যাত হাদিস কোট করেন যেখানে তিনি পূর্ব দিক থেকে ফিতনার উত্থানের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
“ফিতনা পূর্ব দিক থেকে আসবে।”
(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৫৩)

জাহমিয়া মূলত একটি গোষ্ঠির নাম, যারা মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত ফির্কাসমূহের বাইরের গোষ্ঠী হিসাবেই বেশি পরিচিত। কারণ তারাও জাদ ইবনে দিরহামের মত এমন সব আকীদা বিশ্বাস পোষণ করতো যা সরাসরি কুরআন ও হাদীসে আকীদার বিরোধী।

আল্লাহর সিফাত(গুণাবলি সমূহ) দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছেঃ
১/ সিফাতে ফেউলি (কর্মসম্পর্কিত গুণ): এগুলো আল্লাহর কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন: আল্লাহ সৃষ্টি করেন, রিজিক দেন, ক্ষমা করেন।
২/ সিফাতে জাতি (সত্তাগত গুণ): এগুলো আল্লাহর সত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন: আল্লাহ শোনেন, দেখেন, কথা বলেন, আল্লাহর হাত, চেহারা ইত্যাদি।

জাহামিরা আল্লাহর সিফাতে জাতিকে অস্বীকার করে এবং কেবল সিফাতে ফেউলি বা কর্মসম্পর্কিত গুণকে স্বীকার করে। তখন প্রশ্ন উঠে আসে আল্লাহ সুবহানাওয়াতালা দেখতে কেমন? এই জাহামি গোষ্টি তখন আল্লাহ সম্পর্কে নতুন এক দর্শন বের করে আনে যার ফলে কোরআনের অনেক আয়াত সরাসরি অস্বীকার করা হয়। যেমন,
– জাহামি গোষ্ঠী বলে, আল্লাহর কোনো আকার বা আকৃতি নেই
“আল্লাহর হাতে রয়েছে সমস্ত কিছু।” (সুরা আলে ইমরান: 26)
“তোমার প্রতিপালকের চেহারা ব্যতীত সবই ধ্বংসশীল।” (সুরা আর-রহমান: 27)
এরকম আরো অনেক আয়াত রয়েছে যেমন,

– জাহামি গোষ্টি বলতো, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান
অথচ আল্লাহ বলছেন, “তিনিই আরশের ওপর প্রতিষ্ঠিত।” (সুরা তহা: 5)

– আল্লাহর দর্শন অস্বীকার
“তোমরা তোমাদের রবকে জান্নাতে দেখবে, যেমনিভাবে চাঁদ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।” (বুখারি: 554, মুসলিম: 633)

এ ছাড়াও আরো অনেক অনেক ভ্রান্ত আক্বীদাহ এরা দাবি করে ফেলেছিলো যা সরাসরি কুরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট দলিলের বিপরীত এবং আল্লাহর গুণাবলিকে সীমাবদ্ধ বা বিকৃত করা ঈমানের মূল বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আরো কিছু আক্বীদাহ এদের রয়েছে যেমন,

– আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অস্বীকার করে রূপক হিসেবে গ্রহন করা।
– আল্লাহ তা‘আলা সর্বোচ্চ সত্তা হওয়া অস্বীকার (অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার ‘উলু’ বা উপরে থাকা সাব্যস্ত না করা)
– কুরআনকে আল্লাহর কালাম স্বীকার করতো না। কুরআনকে সৃষ্ট বলত। (এর সূচনা জাদ খ. দিরহাম যা প্রথমেই বলেছি)
– আল্লাহ কথা বলেন এটা অস্বীকার করা
– জাহম বিন সাফওয়ান মনে করতো আল্লাহ সত্তাগতভাবে সকল সৃষ্টির সাথে রয়েছে (পরবর্তীতে তার এ মতবাদটি সর্বেশ্বরবাদী ও হুলুলী লোকদের উপজীব্যে পরিণত হয়)।
– ঈমান হচ্ছেে শুধু আল্লাহকে চেনার নাম
– তাকদীরের উপর ঈমানের অধ্যায়ে সে মনে করত মানুষ সব মাজবূর বা বাধ্য। এ জন্য সে এ অধ্যায়ে জাবরিয়া।
– আখেরাতের ওপর ঈমান অধ্যায়ে অনেক কিছু সে অস্বীকার করত: যেমন, কবরের আযাব, মীযান, সীরাত, আল্লাহকে দেখা।​
– সে আরো বিশ্বাস করতো যে, জান্নাত ও জাহান্নাম ধ্বংস হয়ে যাবে।​ এর কারনটা নিশ্চই আমারা রিলেট করতে পেরেছি, যেভাবে জাদ ইবনে দিরহাম কোরআনকে “সৃষ্ট” বা “মাখলুক” দাবি করেছিলো।

মূলত এগুলাই হচ্ছে জাহমিয়াদের আকীদার ফান্ডামেন্টাল। ইসলামের ইতিহাসে ইসলামের সহীহ আকীদার ওপর তাদের মত এত বড় আঘাত আর কেউ করেনি। এজন্য ইমাম আবু সাঈদ উসমান ইবন সা‘ঈদ আদ-দারেমী তাঁর ‘আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ গ্রন্থে তাদেরকে কাফের বলেছেন এবং কাফের হওয়ার পক্ষে দলীল পেশ করেছেন। পরবর্তীতে তাদের এসব আকীদা বিশ্বাস বিভিন্ন ফির্কার মধ্যে হুবহু অথবা কিছু পরিবর্তনসহ প্রবেশ করতে থাকে।

তাই পরবর্তীতে ‘জাহমিয়্যাহ’ শব্দটি কখনও কখনও তাদের জন্য প্রয়োগ করা হতে থাকে যারা আল্লাহর নাম বা গুণাবলী নিষ্ক্রীয় করে অথবা সেগুলোর কিছু কিছুকে নিষ্ক্রীয় করে। সে হিসাবে মু‘তাযিলাদেরকে জাহমিয়্যাহ বলা হয়, কারণ তারা আল্লাহর প্রায় সকল গুণকেই অস্বীকার করে। এরা হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ের জাহমিয়া। (আক্বীদাহ সিরিজের ৫ম পর্বে মুতাযিলা সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে)

অনুরূপভাবে তা দ্বারা আশা‘য়েরা ও মাতুরিদিয়্যাহদেরকেও বুঝানো হয়, কারণ সামান্য কিছু সিফাত বাদে সকল সিফাতকে অস্বীকার করে থাকে।
এরা হচ্ছে তৃতীয় পর্যায়ের জাহমিয়া।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে পরবর্তী দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের জাহমী যারা আছে তাদরেকে কি কাফের বলা যাবে?

এই ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মত হচ্ছে, তাদেরকে সরাসরি কাফের বলা যাবে না, তাদের মধ্যে যাদের ওপর প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি ও যাদের সন্দেহ দূর করার চেষ্টা করা হয়নি, তাদেরকে কেউ কাফের বলে না। বরং সকল আহলুস সুন্নাহ এর মত অনুযায়ী সাধারণভাবে তারা সে বাহাত্তর ফের্কার অন্তর্ভুক্ত, যারা জাহান্নামে যাবে বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তারা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে না।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“ইহুদিরা ৭১ বা ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল, খ্রিস্টানরাও ৭১ বা ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আর আমার উম্মাহ ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। এর মধ্যে একটি দল জান্নাতে যাবে, আর বাকি ৭২টি জাহান্নামে যাবে।”
সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন: “হে আল্লাহর রাসূল! সেই একটি দল কারা?”
তিনি বললেন:
“তারা হলো যারা আমার ও আমার সাহাবাদের পথ অনুসরণ করে।”
সূত্র: সুনান আত-তিরমিযি, হাদিস নম্বর: ২৬৪১

তবে মনে রাখতে হবে যে, সাধারণ নীতির বিপরীতে গিয়ে কোনো ব্যক্তি বিশেষকে নির্ধারণ করে বাহাত্তর ফের্কার অন্তর্ভুক্ত বলা সঠিক নয়। সুতরাং যদি প্রশ্ন করা হয় যে, জাহমী বললে কি তাকফীর করা হয়? তখন তার উত্তরে বলা হবে, সেটা নির্ধারিত হবে কোন জাহমীকে সে উদ্দেশ্য নিয়েছে সেটা নির্ধারণের পরে। আর তাকে কাফের বলার শর্ত ও বাঁধা দূরীকরণ হয়েছে কী না তা নিশ্চিত হওয়ার পরে।

এখন প্রশ্ন আসে এই জাহমিয়া মতবাদের বিপরীতে সহিহ আক্বীদাহ কি? জাহমিয়া মতবাদের বিপরীতে সালাফ কিংবা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আক্বীদাহ হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাওয়াতালার সকল সিফাত কোরআনে যেভাবে উল্লেখ আছে ঠিক সেইভাবে কোন প্রকার বিকৃত না করে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। এবং সেই সাথে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ সুবহানাওয়াতালার কোন কিছুই সৃষ্টি সাদৃশ্য নয়। যেমন, “তোমার প্রতিপালকের চেহারা ব্যতীত সবই ধ্বংসশীল।” (সুরা আর-রহমান: 27) এই আয়াত দ্বারা বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে যে, আল্লাহর চেহারা রয়েছে তবে এই চেহারা কেমন তা আমরা জানিনা এবং এখানে কোন যুক্তি বা আক্বল ব্যাবহার করা যাবেনা।

সূরা আশ-শূরা (৪২:১১):

لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ
“তাঁর মতো কিছুই নেই; আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।”

সালাফিজম এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *