আক্বীদাহ সিরিজ – ২য় সংস্করণ

  • ০) সূচিপত্র

    মানুষ তাঁর পারিপার্শিক অবস্থা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা মানসিকতার উপর প্রভাবিত। অর্থাৎ আমরা প্রত্যেকে যেভাবে চিন্তা করি, সিদ্ধান্ত নিই বা আচরণ করি, তা পুরোপুরি নিজের ইচ্ছেমতো হয় না। তার পেছনে কিছু বাহ্যিক (পারিপার্শিক) ও অভ্যন্তরীণ (ব্যক্তিগত) প্রভাব…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ১) আক্বীদাহ

    আমরা জানি, আরবি ভাষায় প্রতিটি শব্দ সাধারণত ৩ অক্ষরের একটি ধাতু (root) থেকে জন্ম নেয়। আক্বদ ❝عقد🙷 হচ্ছে তেমনি একটি Root word, যার মূল অর্থ হচ্ছে – বাঁধা, গিঁট দেওয়া। সুরা বাকারা (২:২৩৭) নং আয়াতে “ওক্বদাতুল নিকাহি”…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ২) খুলাফায়ে রাশেদীন

    রাসুল ﷺ জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি সত্য ও ইসলামের বিধানের প্রামাণ্য মানদণ্ড হিসেবে কাজ করেছেন। সাহাবীরা তাঁর কাছ থেকে সরাসরি সবকিছু শিখে নিতো এবং কেউ ভুল করলে তা মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে যেত। রাসুল ﷺ এর একক নেতৃত্বে…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৩) সাহাবীদের প্রতি সু-ধারনা

    🧭 মুয়াবিয়া (রাঃ) এর শাসনকাল, হিজরি ৪০ – ৬০ (খ্রিস্টাব্দ: ৬৬১ – ৬৮০ সাল) হযরত আলী (রাঃ) শহীদ হওয়ার পর তাঁর ছেলে হযরত হাসান (রাঃ) খিলাফতের দায়িত্ব নেন। কিন্তু তখনও মুসলিমদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল, বিশেষ করে সিরিয়া…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৪) প্রাথমিক ফিরকা ও মতাদর্শের সূচনা

    উমাইয়া বংশ (বনু উমাইয়া) হলো কুরাইশ গোত্রের একটি শাখা। মুআবিয়া ইবন আবি সুফিয়ান (রাঃ) ছিলেন উমাইয়া পরিবারের সদস্য, এবং তিনি খিলাফতের কেন্দ্র দামেস্কে স্থাপন করেন। তাঁর পর থেকে বংশানুক্রমিকভাবে শাসন চলে—তাই এ সময়কে বলা হয় উমাইয়া খিলাফত/যুগ।…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৫) তকদীর

    গত পর্বে জাবরিয়া এবং কাদারিয়া সম্পর্কে মৌলিক বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। কাদারিয়্যাহগণ বিশ্বাস করে যে, ভাগ্য বলে কিছুই নেই, কর্মই সব। আর জাবারিয়্যাহগণ বিশ্বাস করে যে, কর্ম বলে কিছু নেই ভাগ্যই সব। এর চেয়ে সহজভাবে বুঝানোর ভাষা আমার…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৬) জাহমিয়া মতবাদ

    উমাইয়া যুগের শেষভাগে মুসলমানরা যখন ব্যাপকভাবে বিজয়যাত্রা শুরু করলো, তখন তারা শুধু ভূমি বা সম্পদই অর্জন করেনি, বরং নানা সভ্যতা ও সংস্কৃতির জ্ঞানভাণ্ডারের সাথেও পরিচিত হলো। যেমন, মুসলমানরা যখন সিরিয়া, ইরাক, মিশর, পারস্য দখল করল, তখন সেখানে…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৭) ঈমান

    উমাইয়া যুগের ফিরকাসমূহের মধ্যে “মুরজিয়া” সম্পর্কে আমারা বিগত পর্বে জেনেছি, মুরজিয়া সম্প্রদায় ঈমানকে শুধু হৃদয়ের বিশ্বাস এবং মুখের স্বীকৃতি হিসেবে দেখত, যাতে কর্ম বা আমলের কোনো ভূমিকা নেই। ফলে, পাপী মুসলিমদের ঈমান নিয়ে বিচার স্থগিত (ইরজা’) করার…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৮) মু’তাযিলাহ

    মু‘তাযিলাহ শব্দটি এসেছে আরবিতে “ই‘তিজাল” যার অর্থ “আলাদা হয়ে যাওয়া” বা “বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া” (Isolationists)। এবং এর একটা মজার ঘটনা আছে। তবে তার আগে বলে নেই, এই দলের প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলো ওয়াসিল ইবন আতা (মৃত্যু ১৩১ হিজরি)…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ৯) আল্লাহর সিফাত ও মূলনীতি

    আল্লাহর সিফাত (صفات الله) বলতে আল্লাহর গুণাবলী বা বৈশিষ্ট্যকে বোঝানো হয়। আল্লাহর সিফাত বা গুণ দুটি প্রধান শ্রেণীতে ভাগ করা হয়: স্বত্বাগত গুণ (ذاتية صفات) এবং কর্মগত গুণ (فعلية صفات)। স্বত্বাগত গুণ বলতে সেই গুণাবলীকে বোঝানো হয়…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ১০) মুজাসসিমাহ এবং মুশাব্বিহাহ

    উমাইয়া যুগে, কাদরিয়্যাহ, জাবরিয়্যাহ, মুরজিয়্যাহ, জাহমিয়্যাহ, মু’তাযিলাহ – এসব ফেরকার জন্ম হয়। বা কিছু ফেরকা সীমিত আকারে ছিলো। কিন্তু আব্বাসী যুগে তারা শক্তিশালী ও দৃষ্টিগোচর হয়। অর্থাৎ প্রায় সকল ফেরকার মূল ধারা উমাইয়াতে জন্ম হলেও আব্বাসী যুগে…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ১১) কুল্লাবিয়্যা এবং কারামিয়্যাহ

    কুল্লাবিয়্যাহ নামকরণ করা হয়েছে আবদুল্লাহ বিন সাঈদ বিন কুল্লাব — আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন কুল্লাব আল-কাত্তান আল-বাসরী (মৃত্যু ২৪০ হিজরী) এর নামে। তিনি ছিলেন বসরার সুপ্রসিদ্ধ ‘ইলম কালাম’ বিশেষজ্ঞ ইমাম। মুতাযিলীদের প্রতাপের যুগে…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ১২) আশআরি এবং মাতুরিদি

    আশ’আরীয়্যাহ-দের নামকরণ করা হয়েছে আবু আল-হাসান আল-আশ’আরীর (মৃত্যু, ৩২৪ হিজরি) নামে। তিনি এক সময় একজন প্রখ্যাত মুতাযিলী, আবু আলী আল-জুবায়ীর বাড়িতে বেড়ে ওঠেন। জীবনের চল্লিশ বছর তিনি মুতাযিলী ছিলেন, এরপর একটি নির্দিষ্ট theological (ধর্মতাত্ত্বিক) বিষয় নিয়ে মতবিরোধের…

    বস্তারিত পড়ুন →


  • ১৩) আল্লাহ সুবহানাওয়াতালা কোথায়?

    মুয়াবিয়া ইবনুল হাকাম আস-সুলামি (রাযি.) বলেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.), আমাদের মাঝে কিছু দাস-দাসী আছে, যাদের আমরা মুক্ত করতে চাই। আমি কি তাদের পরীক্ষা করতে পারি? তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, করো।’ তখন আমি এক দাসীকে ডেকে আনলাম। নবী (সা.)…

    বস্তারিত পড়ুন →